গরম ভাতে ভাপে ইলিশ

উপকরণঃ ইলিশ ৬ টুকরা, পেঁয়াজ কিমা ২ টেবিল চামচ, সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ, পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ, বিচি ফেলা কাঁচামরিচ (আধাবাটা) ৫-৬টা, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, কলাপাতা মোড়ানোর জন্য এবং টুথপিক প্রয়োজনমতো।

প্রণালীঃ ১· পানি ঝরানো ইলিশ মাছের টুকরা সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে কলাপাতায় মুড়িয়ে টুথপিক দিয়ে আটকাতে হবে।
২· সদ্য মাড় ঝরানো গরম ভাত, হাঁড়ি থেকে কিছুটা উঠিয়ে কলাপাতায় মোড়ানো মাছ রেখে বাকি ভাত আবার হাঁড়িতে ঢেলে চেপে ভালো করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। অল্প জ্বালে ১২ থেকে ১৫ মিনিট দমে রাখতে হবে।
৩· সুঘ্রাণ বের হলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

ইলিশের টিকিয়া

উপকরণঃ ইলিশ মাছের সেদ্ধ কিমা দেড় কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, ময়দা ২ টেবিল, ডিম ২টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, লেবুর রস ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস ১ টেবিল চামচ, ব্রেড ক্রাম্ব আধা কাপ ও তেল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ ১· ১টি ডিম ও পাউরুটির সাদা অংশের গুঁড়া (ব্রেড ক্রাম্ব) বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে ১২ থেকে ১৪ ভাগ করে টিকিয়ার সেপ করে নিতে হবে।
২· ডিম ফেটিয়ে রাখতে হবে।
৩· টিকিয়াগুলো ডিমে ডুবিয়ে ব্রেড ক্রাম্বে গড়িয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে গরম ডুবোতেলে বাদামি রং করে ভেজে ওঠাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

মজাদার জমানো ইলিশের ডিম ভাজা

উপকরণ-১
বড় ইলিশ মাছের ডিম ২টি, পেঁয়াজ কিমা ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কিমা ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ ও তেল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ ১· ডিম ধুয়ে ওপরের পর্দা পরিষ্কার করে ভালো করে চটকে ওপরের সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে। ২· স্টিলের বাটিতে বা সসপ্যানে তেল লাগিয়ে ডিমের মিশ্রণ ১ ইঞ্চি পুরু করে ঢেলে ভাপে ২০ থেকে ২৫ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। ৩· ডিম জমে গেলে ঠান্ডা করে ছুরি দিয়ে টুকরা করতে হবে।

উপকরণ-২
ময়দা আধা কাপ, ডিম ১টি, লবণ সামান্য এবং পানি অল্প পরিমাণ।

প্রণালীঃ ১· সব উপকরণ দিয়ে গোলা করে নিতে হবে।
২· এবার ডিমের টুকরাগুলো ময়দার গোলায় ডুবিয়ে ডুবোতেলে বাদামি রং করে ভাজতে হবে।
জমানো ইলিশের ডিম ভাজা পোলাও, গরম ভাত অথবা চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

ইলিশের মাথা আর ডিমের দোপেঁয়াজা

উপকরণঃ বড় ইলিশ মাছের মাথা ২টি, বড় ২টি ইলিশ মাছের ডিম, ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচামরিচ ফালি ৫-৬টি, হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, টক দই সিকি কাপ, চিনি ১ চা চামচ ও তেল পৌনে এক কাপ।

প্রণালীঃ ১· ইলিশ মাছ, মাথা ও ডিম ছোট ছোট টুকরা করে আলাদা করে রাখতে হবে।
২· তেল গরম করে পেঁয়াজ ভেজে নরম হলে হলুদ, মরিচ, জিরা ও লবণ দিয়ে ভুনতে হবে।
৩· ইলিশের মাথা, মাছ ও ডিম দিয়ে অল্প ভুনে দই ও পানি দিতে হবে।
৪· ফুটে উঠলে চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে তেলের ওপর এলে নামাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

ইলিশ সাদা স্টু

উপকরণঃ ইলিশ ৬ টুকরা (পেটি-গাদা মেলানো), ময়দা ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি (মোটা-মাঝারি) ১ কাপ, কাঁচামরিচ (মাথা চিড়ে বিচি ফেলা) ৫-৬টি, চিনি ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ২ টেবিল চামচ ও পানি ৩ কাপ।

প্রণালীঃ ১· মাছ টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।
২· মাঝারি সসপ্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ছেড়ে নরম করে নিতে হবে।
৩· এরপর সসপ্যানে আদা বাটা ও লবণ মিশিয়ে মাছ কষাতে হবে।
৪· কুসুম গরম করা ৩ কাপ পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ১০-১২ মিনিট ফোটাতে হবে। অল্প (সিকি কাপ) পানিতে ময়দা, লেবুর রস ও চিনি গুলিয়ে মাছের ঝোলে ঢেলে দিতে হবে। এরপর ৫ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে নামাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

আনারস ইলিশ

উপকরণঃ ইলিশ মাছ ১টি, আনারস ১টি, পেঁয়াজ বাটা সিকি কাপ, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, জাফরানের রং সামান্য, সয়াবিন তেল ৩-৪ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ ও নারকেলের দুধ ১ কাপ।

প্রণালীঃ মাছ বড় টুকরা করে কেটে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। আনারস কুরিয়ে নিতে হবে। গরম তেলে পেঁয়াজ কুচি ভাজতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে বাটা মসলা কষিয়ে মাছ দিতে হবে। ৫-৬ মিনিট পর মাছ তুলে আনারস দিয়ে কষাতে হবে। ১ কাপ পানি দিতে হবে। এরপর লবণ ও চিনি দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে নারকেলের দুধ দিতে হবে। ফুটে উঠলে মাছ ও কাঁচামরিচ দিতে হবে। তেলের ওপর এলে নামাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

নোনা ইলিশে বেগুন ভুনা

উপকরণঃ নোনা ইলিশ ৪-৫টি, ছোট বেগুন আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ ও মেথি ৫-৬টি।

প্রণালীঃ ১· নোনা ইলিশ রান্না করার ১ ঘণ্টা আগে পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, যেন লবণ না থাকে। তারপর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিতে হবে।
২· বেগুন ফালি করে মাঝে ছুরি দিয়ে কয়েকটি দাগ কেটে একটু চিড়ে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে ডুবোতেলে ভেজে নিতে হবে।
৩· আধা কাপ তেল গরম করে তাতে মেথি দিয়ে তা উঠিয়ে ফেলে দিতে হবে। এই তেলে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে কষিয়ে মাছ দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে ১ কাপ পানি দিতে হবে। ফুটে উঠলে বেগুন ভাজা দিতে হবে। কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

আস্ত ইলিশ মাছের কাঁটা গলানো

উপকরণঃ ইলিশ মাছ ১টি মাঝারি আকারের, সরষে বাটা ২ টেবিল চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, মোটা করে পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, তেল ১ কাপ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি ও চিনি সিকি চা চামচ।

প্রণালীঃ সব উপকরণ দিয়ে মাছ মাখিয়ে ২ লিটার পানি দিয়ে চুলায় দিতে হবে। হাঁড়ির মুখের ঢাকনা ময়দা দিয়ে এঁটে দিতে হবে। মৃদু আঁচে ৬ ঘণ্টা রাখতে হবে। পানি শুকিয়ে তেলের ওপর এলে আধা কাপ টমেটোর সস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে। এখানে ইলিশের পেটের একপাশে লম্ব করে চিরে নাড়ীভূরি বের করা হয়েছে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

ইলিশ-পটলের দোলমা

উপকরণঃ পটল বড় সাইজের ১২ থেকে ১৪টি, আদা বাটা আধা চা চামচ, ইলিশ মাছের কাঁটা বাছা সেদ্ধ কিমা দেড় কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, পেঁয়াজ মিহি কুচি আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ ও তেল ৩ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ ১· তেল গরম করে আদা বাটা ও পেঁয়াজ ভাজতে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে হলুদ, লবণ ও মাছের কিমা দিয়ে ভুনতে হবে। কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে।
২· পটলের দুই মাথা না কেটে পাতলা করে খোসা কেটে বাদ দিয়ে লম্বায় পটলের একদিক চিড়ে ভেতরের বিচি বের করে নিয়ে রান্না করা ইলিশের কিমা ভালোভাবে ঠেসে ভরতে হবে।

উপকরণঃ পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, সাদা গোলমরিচ বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল চামচ, গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, তেল আধা কাপ, চিনি ১ চা চামচ, টক দই ৩ টেবিল চামচ ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ তেল গরম করে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে সব বাটা মসলা কষিয়ে লবণ, টক দই ও পানি দিতে হবে। ফুটে উঠলে পটল দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। পটল সেদ্ধ হলে চিনি, গরম মসলার গুঁড়া ও কাঁচামরিচ দিতে হবে। বেরেস্তা দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

ইলিশ মাছের মালাইকারি

উপকরণঃ ইলিশ মাছ ৮ টুকরা, ঘন নারকেলের দুধ ২ কাপ, গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ৩ টেবিল চামচ, হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ৫-৬টি, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, তেঁতুলের মাড় ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, তেল পৌনে এক কাপ ও পেঁয়াজ বেরেস্তা সিকি কাপ।

প্রণালীঃ ১· গরম তেলে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা কষিয়ে ইলিশ মাছ দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে নারকেলের দুধ দিতে হবে। ২· ঝোল কমে এলে তেঁতুলের মাড়, চিনি, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে বেরেস্তা দিয়ে নামাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৯, ২০০৮

ইলিশমাথায় কচুশাকের ভর্তা

উপকরণঃ কচুর শাক ২৫০ গ্রাম, ইলিশ মাছের মাথা ১টি, লেবুর খোসার কুচি ১ চা চামচ, কাসুন্দি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, রসুন কোয়া ৪টি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ কচুর পাতা গোটা অবস্থায় ধুয়ে নিতে হবে। এবার মাছের মাথার সঙ্গে পেঁয়াজ বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে একটার ওপর একটা পাতা রেখে ওপরের পাতায় মাখানো মাথা দিয়ে পাতা গোল (রোল) করে সুতা দিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এবার বসানো ভাতের ওপর অথবা ভাপে সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে প্রথমে মাথাটা পাটায় বেটে শাক মিশিয়ে কাঁচা পেঁয়াজ কুচি দিয়ে খুব ভালো করে মেখে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ০৫, ২০০৮

সরষে-হেলেঞ্চায় মুগডাল

উপকরণঃ হেলেঞ্চার শাক ২ আঁটি, সরষে বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, রসুন কুচি ২ কোয়া, পেঁয়াজ কুচি ১টি, কাঁচা মরিচ কাটা ৪টি, লবণ প্রয়োজনমতো, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ, মুগ ডাল আধাকাপ।

প্রণালীঃ কড়াইতে তেল, রসুন কুচি, পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে তার মধ্যে ডাল দিয়ে একটু পানি দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে শাক দিতে হবে। অল্প আঁচে শাক সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে তেলে মেথি, শুকনা মরিচ ফোড়ন দিয়ে শাকের ওপর ঢেলে দিতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ০৫, ২০০৮

মাছের ডিম-শাপলার তরকারি

উপকরণঃ শাপলা ২ কাপ, রুই বা ইলিশ মাছের ডিম ১টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৪টি, আদা বাটা দেড় চা চামচ, রসুন বাটা দেড় চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, নারকেল দুধ ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি সামান্য, তেল ৫০০ মিলিলিটার।

প্রণালীঃ রুই অথবা ইলিশ মাছের ডিমের সঙ্গে আধাকাপ পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, আধা চা চামচ রসুন বাটা, আধা চা চামচ আদা বাটা, লবণ দিয়ে মাখিয়ে বড়া বানিয়ে ডুবোতেলে ভাজতে হবে। এবার কড়াইতে ৪ টে· চামচ তেল দেওয়ার পর বাকি পেঁয়াজ দিয়ে একটু লাল হলে বাকি মসলা দিয়ে কষানোর পর শাপলা দিয়ে কষাতে হবে। এবার নারকেলের দুধ দিতে হবে। বলক উঠলে মাছের বড়া দিয়ে মাখা মাখা হলে চিনি দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ০৫, ২০০৮

কচুর লতিতে ইলিশ

উপকরণঃ কচুর লতি ৫০০ গ্রাম, ইলিশ মাছ ৪-৫ টুকরা, রসুন বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, ধনে বাটা আধা চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, সরিষার তেল আধাকাপ, নারকেল দুধ ১ কাপ, লবণ প্রয়োজন অনুসারে, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ কচুর লতি গরম পানিতে একটু সেদ্ধ করে পানি ফেলে নিতে হবে। কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি ও সব মসলাসহ মাছ কষিয়ে লতি দিতে হবে। এরপর ১ কাপ দুধ দিয়ে মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ০৫, ২০০৮

কলমির কোলে চিংড়ি

উপকরণঃ কলমি শাক ২ আঁটি, চিংড়ি মাছ ১ কাপ, সরষে বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন ছেঁচা ৪ কোয়া, পেঁয়াজ ছেঁচা ২টি, কাঁচা মরিচ ছেঁচা ৪টি, মেথি সিকি চা চামচ, গোটা সরষে সিকি চা চামচ, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ কড়াইতে তেল দিয়ে মেথি, সরষের ফোড়নের পর রসুন ছেঁচা, পেঁয়াজ, মরিচ, সরষে বাটা দিয়ে একটু পানি দিতে হবে। এবার চিংড়ি মাছ দিয়ে একটু কষিয়ে কলমি শাক দেওয়ার পর ঢাকনা দিয়ে সেদ্ধ হলে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ০৫, ২০০৮

কাজু বাদামের হালুয়া

উপকরণঃ কাজু বাদাম ১ কাপ, ছানা ১ কাপ, চিনি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়া সিকি চা চামচ, ঘি আধা কাপ, ময়দা ১ টেবিল চামচ, কিসমিস ১ টেবিল চামচ, কাজু ও পেস্তা বাদাম সাজানোর জন্য।

প্রণালীঃ কাজু বাদাম হালকা ভেজে তিন-চার ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পানি থেকে তুলে কাজু বাদাম ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করতে হবে। এবার চুলায় কড়াইতে ঘি দিয়ে কাজু বাদাম ও ছানা দিয়ে ভাজতে থাকুন এবং চিনি দিন। দ্রুত নাড়তে থাকুন। ময়দা, এলাচ গুঁড়া দিন। হালুয়া যখন হয়ে যাবে, তখন প্লেটে সাজিয়ে ওপরে কিসমিস, কাজু ও পেস্তা বাদাম দিয়ে সাজিয়ে বরফি আকারে কেটে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ প্রথম আলো, আগস্ট ১২, ২০০৮

পেঁপের হালুয়া

উপকরণঃ কাঁচা পেঁপে ৫০০ গ্রাম, ঘি আধা কাপ, মাওয়া গুঁড়া ৪ টে· চামচ, চিনি ২৫০ গ্রাম, এলাচ গুঁড়া ১ চা চামচ, কিসমিস ১ টে· চামচ, আমন্ড বাদাম কুচি এক টেবিল চামচ, সবুজ রং সামান্য।

প্রণালীঃ পেঁপে খোসা ফেলে কুচিয়ে (গ্রেট করে) নিতে হবে। কুচানো পেঁপে সামান্য ভাপ দিয়ে নিন। এবার চুলায় কড়াইতে ঘি দিন। কুচানো পেঁপে দিয়ে ভাজতে হবে। চিনি, মাওয়া, রং, এলাচ গুঁড়া দিয়ে ভাজতে থাকুন। হালুয়া ঘন হয়ে ঘি ওপরে উঠে এলে নামিয়ে নিন এবং কিসমিস ও বাদাম দিয়ে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ প্রথম আলো, আগস্ট ১২, ২০০৮

গাজরের হালুয়া বা লাড্ডু

উপকরণঃ গাজর ৫০০ গ্রাম, নারকেল বাটা ১ কাপ, ঘি ১ কাপ, গুঁড়া দুধ আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া সিকি চা চামচ, দারুচিনি গুঁড়া সিকি চা চামচ, কিসমিস ১ টেবিল চামচ, আমন্ড বাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ, চিনি তিন কাপ।

প্রণালীঃ গাজরের খোসা ফেলে কুচি করে নিতে হবে। চুলায় কড়াই দিয়ে তাতে ঘি দিন। নারকেল বাটা দিয়ে ভাজতে থাকুন। কিছুক্ষণ ভাজা হলে তাতে কুচানো গাজর দিন এবং ভাজুন। চিনি, এলাচ, দুধ, দারুচিনি দিন, নাড়তে থাকুন। নাড়তে নাড়তে কড়াই থেকে হালুয়ার গা ছেড়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে বাদাম ও কিসমিস দিয়ে লাড্ডু আকারে গড়ে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ প্রথম আলো, আগস্ট ১২, ২০০৮

ছোলার ডালের হালুয়া

উপকরণঃ ছোলার ডাল ৫০০ গ্রাম, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, চিনি ৫০০ গ্রাম, ঘি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ, দারুচিনি গুঁড়ো আধা চা চামচ, বাদাম+কিসমিস ১+১ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ ছোলার ডাল সাত-আট ঘণ্টা ভিজিয়ে সেদ্ধ করে নিন। ডাল সেদ্ধ করার সময় পানিতে গুঁড়া দুধ দিয়ে দিন। ডাল সেদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বেটে নিন। চুলায় কড়াই দিয়ে তাতে ঘি দিন। তাতে ডাল বাটা দিয়ে ভালো করে ভাজুন। চিনি ও দুধ দিয়ে নাড়তে থাকুন। এলাচ ও দারুচিনি দিন। হালুয়া ঘন হয়ে বাদামি রং ধরলে নামিয়ে ঘি মাখানো ট্রেতে ঢেলে দিন। ইচ্ছামতো শেপে কেটে ওপরে বাদাম ও কিসমিস ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ প্রথম আলো, আগস্ট ১২, ২০০৮

ডিমের হালুয়া

উপকরণঃ ডিম ৪টা, চিনি ১ কাপ, ঘন দুধ ১ কাপ, ঘি আধা কাপ, দারুচিনি ৩ টুকরা, এলাচ ২-৩টি, পেস্তা বাদাম ১ টেবিল চামচ, কিসমিস ১ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ ডিম কাঁটা চামচ দিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। সব উপকরণ দিয়ে আবার ফেটে নিন। মিশ্রণ সসপ্যানে ঢেলে মৃদু আঁচে চুলায় দিন এবং দ্রুত নাড়তে থাকুন। লক্ষ রাখতে হবে, তলায় যেন ধরে না যায়। কিছুক্ষণ পর ডিম জমাট বেঁধে যাবে। পানি শুকিয়ে গেলে নামিয়ে হালুয়ার ওপর পেস্তা বাদাম ও কিসমিস দিয়ে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ প্রথম আলো, আগস্ট ১২, ২০০৮