রেড স্ম্যাপারের টক-মিষ্টি বল

প্রণালীঃ রেড স্ম্যাপার মাছের কিমা ১ কাপ, পেঁয়াজ কিমা ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচের কুচি ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, ডিম ১টি, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো, সয়া সস ১ টেবিল-চামচ, ভাজার জন্য তেল। সব একসঙ্গে মেখে ডুবো তেলে বড়া ভেজে নিতে হবে।

সস তৈরি
টমেটো সস আধা কাপ, চিনির ক্যারামেল ৪ টেবিল-চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো, পানি আধা কাপ, টেস্টিং সল্ট আধা চা-চামচ। সব একসঙ্গে গুলে রাখতে হবে। সবজি-শসা আধা কাপ (জুলিয়ান কাট), গাজর আধা কাপ; পেঁয়াজ ১ কাপ (ভাঁজ খোলা)।

তেল (আধা কাপ) প্যানে দিয়ে ১ চা-চামচ রসুনকুচি একটু ভেজে নিন। এরপর পেঁয়াজ, শসা ও গাজর ভেজে সস ও মাছ দিয়ে নাড়ুন। এবার কর্নফ্লাওয়ার পানি দিয়ে গুলে ঘন হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ০৩, ২০০৮

অন্য রকম ভেটকি ভাজা

উপকরণঃ ভেটকি মাছ ১টি, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, টমেটো (ছোট কিউব) ১টি, আনারস (ছোট কিউব) আধা কাপ, পেঁয়াজ (খোলা) আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ টেবিল-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল আধা কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, রসুনকুচি আধা চা-চামচ।

প্রণালীঃ মাছ পরিষ্কার করে ধুয়ে রসুনবাটা, লবণ, লেবুর রস ও মরিচগুঁড়া সামান্য মেখে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এবার ননস্টিক ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে মাছ খুব ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এরপর মাছ তুলে রসুনকুচি, আদাবাটা, খোল ছাড়ানো পেঁয়াজ ও আনারস দিয়ে ভাজতে হবে। টমেটো ও বাকি মরিচগুঁড়া লবণ দিয়ে নাড়তে হবে। আনারস একটু সেদ্ধ হলে ১ চামচ কর্নফ্লাওয়ার পানি দিয়ে গুলে তার মধ্যে মাছ একটু নাড়াচাড়া করতে হবে (মাছ যেন ভেঙে না যায়)। মাখা মাখা হলে নামিয়ে পরিবেশন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ০৩, ২০০৮

গরম গরম গোটা রূপচাঁদা

উপকরণঃ মাছ ১টি, রসুনকুচি বা বাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ (রিং) আধা কাপ, মাখন ২ টেবিল-চামচ, সয়া বা উস্টার সস ১ টেবিল-চামচ, টেমেটো সস ২ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো, কর্নফ্লাওয়ার প্রয়োজনমতো, লেবুর রস ১ চা-চামচ, তেল ১ কাপ।

প্রণালীঃ মাছ পরিষ্কার করে ধুয়ে চিরে রসুনবাটা, অল্প সয়া সস, লেবুর রস ও সামান্য লবণ মেখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে কর্নফ্লাওয়ার ভালো করে মাখতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে গরম করে মাছ ছেড়ে ভেজে ওঠাতে হবে (এবার সিজলিং ডিশ চুলায় দিয়ে গরম করতে হবে এবং আরেক চুলায় মাছ তৈরি করতে হবে)। কড়াইয়ে তেল ও রসুনকুচি দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজকুচি একটু ভেজে মাছ দিয়ে বাকি সয়া সস, টমেটো সস, উস্টার সস ও পানিতে গোলানো ১ টেবিল-চামচ কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে মিশিয়ে মাছের ওপর ঢেলে দিতে হবে। মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিতে হবে। এবার একটু মাখন প্যানে দিয়ে রিং করা পেঁয়াজ হালকা ব্রাউন করে ভেজে নিতে হবে। গরম সিজলিং ট্রেতে মাছ ঢেলে একপাশে বাকি মাখন এবং ওপরে রিং করা পেঁয়াজ দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ০৩, ২০০৮

সবুজ রূপে চাঁদা

উপকরণঃ রূপচাঁদা মাছ ১টি, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতা বাটা ১ চা-চামচ, পুদিনাপাতা বাটা ১ চা-চামচ, কাঁচামরিচ বাটা ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো, তেল ১ টেবিল-চামচ।

প্রণালীঃ মাছ ভালো করে ধুয়ে চিরে নিতে হবে। এরপর সব মসলা একসঙ্গে মেখে এক ঘণ্টা রাখতে হবে। তারপর গ্রিলে গ্রিল করতে হবে অথবা ফ্রাইপ্যানে একটু মাখন দিয়ে অল্প আঁচে ভাজতে হবে। সবশেষে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ০৩, ২০০৮

টুনা মাছের স্যান্ডউইচ

উপকরণঃ পাউরুটি ৪ টুকরো, টুনা মাছ ১ টিন বা বাটা ২ টেবিল-চামচ, ম্যায়োনেজ ৪ টেবিল-চামচ, ডিম সেদ্ধ (চাক-কাটা) ১টি, শসা (চাক-কাটা) ৪ টুকরো, টমেটো (চাক-কাটা) ৪ টুকরো, কাঁচামরিচ (পরিমাণ অনুযায়ী), ফাইন চপ সিকি চা-চামচ।

প্রণালীঃ পাউরুটির চারপাশ কেটে ফেলে দিতে হবে। টুনা ফিশ, ম্যায়োনেজ ও কাঁচামরিচের কুচি একসঙ্গে মেখে পাউরুটির মধ্যে দিন। এরপর ওপরে ডিমের ্লাইস, শসা ও টমেটো দিন। আরেক পিস পাউরুটি দিয়ে ঢেকে তিনকোনা করে কাটতে হবে। পাউরুটিতে মাখন লাগিয়ে নিতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ০৩, ২০০৮

লইট্টার পাকোড়া

উপকরণঃ লইট্টা মাছ ২৫০ গ্রাম, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, বেসন ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, ফিশ সস ১ চা-চামচ, সয়া সস ১ চা-চামচ, ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

প্রণালীঃ লইট্টা মাছ লেবুর রস (আধা চা-চামচ), রসুনবাটা, আদাবাটা, ফিশ সস ও সয়া সস দিয়ে মেখে রাখতে হবে আধঘণ্টা। এরপর বেসন দিয়ে মাছ মেখে পাকোড়ার মতো মচমচে করে ভেজে তুলতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ০৩, ২০০৮

ম্যাঙ্গো সেক

উপকরণঃ

পাকা আমের টুকরো তিন কাপ, ঘন তরল দুধ দুই কাপ, চিনি পোয়া কাপ, মধু পোয়া কাপ, ক্রিম ১৭০ গ্রাম, ম্যাঙ্গো আইসক্রিম আধা লিটার, হুইপড ক্রিম প্রয়োজনমতো।

প্রণালীঃ

আইসক্রিম বাদে সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে গুবলেটে ঢেলে আইসক্রিম দিয়ে হুইপড ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুন ১০, ২০০৮

পাকা আমের মজাদার পুডিং

উপকরণঃ

পাকা আমের শাঁস এক কাপ, ডিম ছয়টি, কনডেন্সড মিল্ক এক কৌটা, ম্যাঙ্গো অ্যাসেন্স, সামান্য স্পঞ্জ কেক ছয় স্লাইস, চিনি আট টেবিল চামচ, পানি চার টেবিল চামচ, কাজু কুচি চার টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ

১· পুডিংয়ের মোল্ডে চিনি ও পানি একসঙ্গে চুলায় দিতে হবে। হাল্কা বাদামি রং হলে চুলা থেকে নামিয়ে কেকের স্লাইসগুলো আঠালো চিনির সিরার ওপর বসিয়ে দিতে হবে। ঠান্ডা হলে আমের শাঁস কেকের ওপর ঢেলে দিতে হবে। ২· কনডেন্সড মিল্ক, ডিম, ম্যাঙ্গো অ্যাসেন্স, কাজু কুচি একযোগে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে কেকের ওপর ঢেলে দিতে হবে। ৩· প্রেশার-কুকারে ২০-২৫ মিনিট রেখে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে। ৪· ঠান্ডা হলে সার্ভিং ডিশে ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুন ১০, ২০০৮

আমের মুজ

উপকরণঃ

পাকা আমের শাঁস দুই কাপ, ম্যাঙ্গো আইসক্রিম আধা লিটার, ম্যাঙ্গো জেল্লো এক প্যাকেট, ফোটানো পানি দুই কাপ, হুইপড ক্রিম প্রয়োজনমতো।

প্রণালীঃ

১· ফোটানো পানিতে জেল্লো গুলিয়ে নাড়তে নাড়তে ঠান্ডা করতে হবে।

২· বড় কাচের বাটিতে আইসক্রিম, আমের শাঁস, জেল্লো মিলিয়ে বরফের ওপর বাটি রেখে বিট করতে হবে।

৩· মিশ্রণ হাল্কা হয়ে এলে লম্বা গ্লাসে আমের মুজ ঢেলে হুইপড ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুন ১০, ২০০৮

আমের সুফলে - ২

উপকরণঃ পাকা আমের জুস দুই কাপ, জিলেটিন এক টেবিল চামচ, চিনি দুই টেবিল চামচ। একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে সামান্য ঘন হলে নামাতে হবে।

পেস্ট্রি ক্রিমঃ গুঁড়ো দুধ দুই কাপ, পানি দেড় কাপ, চিনি পৌনে এক কাপ, কর্নফ্লাওয়ার দুই টেবিল চামচ, ডিমের কুসুম দুটি, ফ্রেশ ক্রিম আধা টিন, এলাচ গুঁড়ো সামান্য।

পেস্ট্রি ক্রিমের প্রণালীঃ একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঘন হয়ে এলে নামাতে হবে। ১· সুফলের মোল্ডে মাখন লাগিয়ে ১৫ মিনিট ফ্রিজে রাখতে হবে। ২· পেস্ট্রি ক্রিমের সঙ্গে জিলেটিনের মিশ্রণ মিলিয়ে বিট করতে হবে। এক টিন ডানো ক্রিম দিয়ে বিট করতে হবে। মেরাং ও অ্যাসেন্স দিয়ে বিট করে ফ্রিজ থেকে মোল্ড বের করে এর মধ্যে মিশ্রণ ঢেলে আট ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে হবে। ৩· পরিবেশন পাত্রে ঢেলে হুইপড ক্রিম দিয়ে ডেকোরেশন করে পরিবেশন করতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুন ১০, ২০০৮

পাকা আমের মধুভরা কুলফি

উপকরণঃ পাকা আমের শাঁস দুই কাপ, গুঁড়ো দুধ দেড় কাপ, কনডেন্সড মিল্ক এক টিন, কর্নফ্লাওয়ার দেড় টেবিল চামচ, পানি দুই কাপ, কিশমিশ দুই টেবিল চামচ, ম্যাঙ্গো অ্যাসেন্স দু-তিন ফোঁটা, পেস্তাবাদাম কুচি দুই টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ

১· গুঁড়ো দুধ ও কর্নফ্লাওয়ার পানি দিয়ে গুলিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। ঘন হলে কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

২· ঠান্ডা হলে ম্যাঙ্গো অ্যাসেন্স ও আমের শাঁস দিয়ে ১৫-২০ মিনিট বিট করে কুলফির ছাঁচে ঢেলে কিশমিশ, পেস্তাবাদাম কুচি দিয়ে ফ্রিজে চার-পাঁচ ঘণ্টা জমাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুন ১০, ২০০৮

কলাপাতায় তন্দুরি চিংড়ি

উপকরণঃ

বাগদা চিংড়ি আধা কেজি, আদা বাটা আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ ভেজে বাটা ২ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচ ভেজে গুঁড়া করা ১ চা চামচ, কাজু বাটা ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, তন্দুরি মসলা আধা চা চামচ, তেল ২ টেবিলচামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ

১· মাছ পরিষ্কার করে সব উপকরণ দিয়ে মেখে এক ঘণ্টা রাখতে হবে।

২· মসলাসহ মাছ কলাপাতায় মুড়িয়ে গ্রিলের অথবা প্রিহিটেড ওভেনে ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপে ২৫ মিনিট রাখতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ২৫, ২০০৮

নারকেলের দুধে মাংস পাতুড়ি

উপকরণঃ

গরুর মাংস পাতলা করে কাটা দুই কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা বাটা ২ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ, কাঁচা পেঁপে বাটা ১ টে· চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা, চা, লবণ পরিমাণমতো, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, তেল ৪ টেবিল চামচ, নারকেলের দুধ ২ কাপ, কলাপাতা ১টি, টুথপিক প্রয়োজনমতো, কাঁচামরিচ ফালি ৪-৫টা।

প্রণালীঃ

পেঁপে বাটা, আদা ও রসুন বাটা দিয়ে মাংস মাখিয়ে এক ঘণ্টা রাখতে হবে।
মাখানো মাংসে সব গুঁড়া মসলা, লবণ, টমেটো সস, তেল, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ ও লেবুর রস দিয়ে মেখে কলাপাতায় পেঁচিয়ে টুথপিকে আটকিয়ে প্যান বা কড়াইয়ের ওপর রেখে নারকেলের দুধ দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। মাঝে দু-একবার উল্টিয়ে দিতে হবে।
নারকেলের দুধ শুকিয়ে কলাপাতা পোড়া পোড়া হলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে। নারকেলের দুধে মাংস পাতুড়ি লুচি, পরোটা, পোলাও বা খিচুড়ির সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ২৫, ২০০৮

মলা মাছের পাতুড়ি

উপকরণঃ

মলা মাছ ৪০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাঁচামরিচ ফালি ৮-১০টা, টমেটো কুচি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিলচামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ

মাছ পরিষ্কার করে মাথা ছাড়া সব উপকরণ দিয়ে মেখে এক ঘণ্টা রাখতে হবে। কলাপাতা ধুয়ে সেঁকে নিয়ে মাছ কলাপাতায় ভালোভাবে মুড়িয়ে টুথপিক দিয়ে আটকিয়ে তাওয়া বা ফ্রাইপ্যানের ওপর রেখে ঢেকে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। মাঝে দু-একবার উল্টিয়ে দিতে হবে। কলাপাতা পোড়া পোড়া হলে চুলা থেকে নামাতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ২৫, ২০০৮

পাতায় মোড়ানো ভাপে ঢেঁড়স

উপকরণঃ

কচি ঢেঁড়স ২৫০ গ্রাম, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, তেল ১ টেবিলচামচ, কাঁচামরিচ বাটা আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালীঃ

ঢেঁড়স টুকরা করে নিতে হবে।
তেল, লেবুর রস, মরিচ বাটা, লবণ একসঙ্গে মিলিয়ে ঢেঁড়স দিয়ে আলতো হাতে মাখিয়ে কলাপাতায় মুড়িয়ে ভাপের (স্টিম) ওপর কলাপাতা রেখে ১০-১২ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ২৫, ২০০৮

ভাতের ভাপে পোস্ত ইলিশের পাতুড়ি

উপকরণঃ

ইলিশ মাছ ৬ টুকরা, পোস্ত ২ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া সামান্য। কাঁচামরিচ ৫-৬টা, পেঁয়াজ কিমা করা ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, বড় লাউপাতা বা কুমড়াপাতা ১০-১২টি।

প্রণালীঃ

১· পাতাগুলো গরম পানিতে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।

২· পোস্ত ও কাঁচামরিচ একসঙ্গে বেটে নিতে হবে।

৩· পোস্ত বাটার সঙ্গে পেঁয়াজ, হলুদ, লবণ, লেবুর রস, তেল একসঙ্গে মেখে মাছের গায়ে ভালোভাবে লাগিয়ে একটি পাতার ওপর এক টুকরা মাছ রেখে আরেকটি পাতা দিয়ে মুড়িয়ে টুথপিক দিয়ে আটকিয়ে দিতে হবে। এভাবে বাকি মাছ পেঁচাতে হবে।

৪· ভাতের মাড় ঝরিয়ে চুলায় জ্বাল কমিয়ে কিছুটা ভাত উঠিয়ে নিয়ে পাতায় মোড়ানো মাছগুলো ভাতের ওপর সাজিয়ে বাকি ভাত দিয়ে চাপা দিয়ে ভালোভাবে ঢাকনায় ঢেকে দিতে হবে, যেন ভাতের ভাপ বেরোতে না পারে।

৫· ১৫-২০ মিনিট পর চুলা থেকে ভাতের হাঁড়ি নামিয়ে আরও ২০-২৫ মিনিট ভাতের হাঁড়ি ঢেকে রাখতে হবে, তাহলে ভাতের ভাপে মাছ সিদ্ধ হয়ে যাবে।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ২৫, ২০০৮

টমেটো স্যুপ

উপাদানঃ টমেটো ৪টি, রসুন কুচি ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১টি (বিচি ফেলে), গোলমরিচের গুঁড়া সিকি চা চামচ, লবণ আধা চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, কালোজিরা সামান্য।

প্রস্তুত প্রণালীঃ টমেটো, পেঁয়াজ, রসুন এবং ৪ কাপ পানি সব একসঙ্গে দিয়ে জ্বাল দিন। এরপর ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর তারের মোটা চালুন দিয়ে চেলে নিন। তারপর আবার চুলায় দিন। খাওয়ার আগে ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, লবণ মিশিয়ে নিন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ১৭, ২০০৮

সয়াদুধ

উপকরণঃ সয়াবিন ২৫০ গ্রাম, পানি ১ লিটার।

প্রণালীঃ সয়াবিন ১০ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ১ লিটার পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ছেঁকে ফুটিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ১৭, ২০০৮

কম ক্যালরির গ্রিলড চিকেন

উপকরণঃ মুরগির মাংস ৪ টুকরা, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, টমেটো ১টি ছোট, কাঁচামরিচ ২টি, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, লবণ আধা চা চামচ।

প্রণালীঃ মুরগির টুকরার সঙ্গে সব মসলা মেখে ম্যারিনেট করে রাখুন। এরপরবৈদ্যুতিক ওভেনের গ্রিলে ২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ২৫-৩০ মিনিট গ্রিল করুন। অথবা ননস্টিক প্যানে দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে রান্না করুন। পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে নিন।
* একইভাবে মাছ ও সবজি রান্না করা যাবে

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ১৭, ২০০৮

সবজির স্যুপ

উপাদানঃ সবজি ২৫০ গ্রাম। মাশরুম, বিনস্প্রাউট ১ টেবিল চামচ, ভিনেগার ১ টেবিল চামচ, লবণ আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ২টি (বিচি ছাড়া), নুডলস আধা কাপ, গোলমরিচ সিকি চা চামচ, সয়াসস ১ চা চামচ, টমেটো সস ১ টেবিল চামচ, চিলি সস ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি, পুদিনাপাতা বা ধনেপাতা।

উপকরণঃ সবজি পাতলা করে কেটে নিন। পেঁয়াজ খোসা ছাড়িয়ে নিন। ৪ কাপ পানি গরম করুন, তাতে টুকরা করা মাশরুম দিন এবং বলক উঠলে সস ও লবণ দিন। চুলা বন্ধ করে কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, বিনস্প্রাউট দিন। খাওয়ার আগে ভিনেগার অথবা লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

* কয়েকটি উপকরণ না থাকলেও এ স্যুপ তৈরি করা যাবে

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, জুনে ১৭, ২০০৮