ক্ষীরের পুলি
উপকরণঃ
- ক্ষীর — ২০০ গ্রাম,
- নারকোল — ১টা,
- কিসমিস — ১৫ গ্রাম,
- বাদাম — ২৫ গ্রাম,
- পেস্তা — ২৫ গ্রাম,
- এলাচ গুঁড়ো — ২ চা চামচ,
- ঘি প্রয়োজনমতো,
- চিনি — ২০০ গ্রাম,
- পুলি করার ছাঁচ।
প্রণালীঃ
- নারকোল কুড়িয়ে মিহি করে বেটে নিন। উনুনে কড়াই চাপিয়ে নারকোল বাটা, ঘি, চিনি, এলাচগুঁড়ো মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নিন।
- কিসমিস, সব কুচিয়ে নিন।
- এবার ছাঁচের মধ্যে ঘি মাখিয়ে নিয়ে ওই ক্ষীর, নারকোল থেকে অল্প নিয়ে ছাঁচে ফেলুন।
- কিছুক্ষণ পরে খুব সাবধানে তুলে নিন।
- এইভাবে যে যে কটা হয় সে কটা ক্ষীরের পুলি তৈরি করুন এবং তার ওপর এলাচগুঁড়ো কিসমিস, বাদাম কুচো ছড়িয়ে দিন এবং পরিবেশন করুন।
আপেল ক্ষীর
উপকরণঃ
- আপেল - ৪/৫ টা
- দুধ - দেড় লিটার
- চিনি - ৫ টেবিল চামচ
- জাফরান - ২/৪ পাতা সামান্য গরম দুধে ভেজানো
- ছোট এলাচের গুঁড়ো - ১/৪ চা চামচ
- গোলাপ জল - ৫/৬ ফোঁটা
প্রণালীঃ
- আপেল খোসা ছাড়িয়ে ছোটো ছোটো টুকরো করে নিন।
- চিনি দিয়ে মাঝারি আঁচে বসিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকুন।
- চিনি গলে গিয়ে জল শুকিয়ে এলে নামিয়ে রাখুন।
- দুধ আলাদা পাত্রে আঁচে বসিয়ে জাফরান, ছোটো এলাচের গুঁড়ো, গোলাপজল দিয়ে নাড়তে থাকুন।
- দুধ ঘন হয়ে প্রায় ঠান্ডা হয়ে এলে আপেল সিদ্ধটা দিয়ে ভালো করে মিলিয়ে ফ্রিজে রাখুন।
- ইচ্ছে হলে ওপরে সামান্য পেস্তা কুচি দিতে পারেন।
পাউরুটির পায়েস
উপকরণঃ
- পাউরুটি - ৬/৭ পিস
- দুধ - ১ লিটার
- চিনি - ৪ বড় চামচ
- কিসমিস - ১৫/২০ টা
- ২টো ছোট এলাচের গুঁড়ো
- তেল - ভাজার জন্য
প্রণালীঃ
- ৬/৭ পিস পাউরুটি খুব সরু করে কেটে সাদা তেলে ভেজে তুলে রাখুন।
- ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে বেশ ঘন করে নিন।
- তাতে চিনি ও কিসমিস দিন।
- তাতে ছোট এলাচের গুঁড়ো দিন।
- দুধ ঘন হয়ে এলে পাউরুটি দিয়ে নামিয়ে রাখুন।
- ইচ্ছে হলে দুই এক পাতা জাফরান দিতে পারেন।
- এবার আপনার পায়েস খাওয়ার জন্য তৈরি।
কমলালেবুর পুডিং
উপকরণঃ
- পাউরুটির শুধু সাদা অংশটা - ১৫০ গ্রাম
- বড় কমলালেবু - ২ টো
- মাখন - ৭৫ গ্রাম
- ডিমের কুসুম - ৪ টে
- কমলালেবুর মার্মালেড - ৫ টেবিল চামচ
- ব্রাউন সুগার - ৭৫ গ্রাম
- ময়দা - ৭৫ গ্রাম
- বেকিং পাউডার - ১/৪ চা চামচ
- কিসমিস - ৭৫ গ্রাম
- মনক্কা - ৭৫ গ্রাম
- চেরি - ৭৫ গ্রাম
- কমলালেবুর খোসা কোরানো - ১/৪ চা চামচ
প্রণালীঃ
- রুটি ছোটো ছোটো চৌকো টুকরো করে একটা পাত্রে রাখুন।
- কমলালেবুর খোসা কুরিয়ে নিন ১/৪ চা চামচ।
- এবারে কমলালেবুর রস করে নিন।
- অন্তত ৮ টেবিল চামচ লাগবে, কম হলে জল মিলিয়ে নেবেন।
- কমলার রস এবং মার্মালেড গরম করে রুটির টুকরোতে ঢেলে দিন।
- ১০ মিনিট ভিজতে দিন। মাখন, কমলালেবুর কোরানো খোসা, চিনি- একত্রে ফেটিয়ে নিন ভাল করে।
- এবারে ময়দা, ডিম, বেকিং পাউডার, কিসমিস, মনক্কা, চেরি সব একে একে চিনি মাখনের মিশ্রণে মেশান।
- সবশেষে রুটি এবং মার্মালেডের মিশ্রণে মিশিয়ে নিন।
- এবার বেকিং টিন তৈলাক্ত করে নিয়ে মিশ্রনটি তাতে ঢালুন।
- এবারে দু ঘন্টা ধরে ভাপে রাখুন। খুব বেশি আগুনের তাপে রাখবেন না। ঢিমে আঁচে রাখুন।
ভ্যানিলা আইসক্রিম
উপকরণঃ
- মিল্ক মেড — ১/৪ টিন
- দুধ — ৪ কাপ
- কাস্টার্ড পাউডার — ২ টেবল চামচ
- ভানিলা এসেন্স — ১/৪ কাপ
প্রণালীঃ
- ভ্যানিলা এসেন্স ১/৪ চা চামচ দুধ দিয়ে গুলে নিন।
- দুধ এবং টিনের দুধ ভাল করে মিশিয়ে নিন।
- কর্নফ্লাওয়ার, যেটা দুধ দিয়ে গুলে রেখেছেন সেটা দিয়ে ঘন না হওয়া পর্যন্ত অনবরত নেড়ে রান্না করুন।
- নামিয়ে ঠান্ডা হলে ভ্যানিলা মেশান।
- ফ্রিজে জমতে দিন।
- আধজমা হয়ে এলে ফ্রিজ থেকে বার করে ফেটিয়ে আবার জমতে দিন।
- তিন-চারবার এভাবে ফেটাতে পারলে ভাল হয়।
আনন্দ দধি
উপকরণঃ
- দই — ২৫০ গ্রাম
- টিনের আনারস — ২টি গোল টুকরো
- কমলালেবু — ২টি
- ভাজা জিরে গুঁড়ো — ১/২ চা চামচ
- লাল লঙ্কা গুঁড়ো — ১/৪ চা চামচ
- গুঁড়ো চিনি — ১ বড় চামচ
- বিট নুন — ১/৪ চা চামচ
প্রণালীঃ
- দইতে চিনি ভাল করে মিশাতে হবে।
- আনারস ছোট টুকরো এবং কমলালেবু পরিষ্কার করে নিয়ে দইতে দিন।
- এবার পরিবেশনের পাত্রে ঢেলে ওপরে জিরে, লঙ্কার গুঁড়ো, বিট নুন দিন।
- পরিবেশনের আগে আনারস ও কমলালেবুর টুকরো সাজিয়ে দেবেন।
রাঙা আলুর ক্ষীর
উপকরণঃ
- রাঙা আলু — ১২৫ গ্রাম
- দুধ — ১লিটার
- কিশমিশ — ২০-২৫টা
- চিনি — ৪ টেবিল চামচ
- ছোট এলাচ গুঁড়ো — ১/৪ চা চামচ
প্রণালীঃ
- রাঙা আলু খোসা ছাড়িয়ে গ্রেট করে নিন।
- দুধ খানিকটা ঘন হলে গ্রেট করা রাঙা আলু দুধে দিন।
- কিশমিশ, চিনি, এলাচ গুঁড়ো দিন।
- ঘন হয়ে ক্ষীরের মত হলে নামান।
নতুন গুড় দিয়ে সুজির পায়েস
উপকরণঃ
- নতুন গুড় — ২০০ গ্রাম,
- সুজি — ১৫০ গ্রাম,
- এলাচগুঁড়ো — ১ চা চামচ,
- ঘি — ৫০ গ্রাম,
- কিসমিস — ৫০ গ্রাম,
- কাজুবাদাম — ২৫ গ্রাম,
- দুধ — ২ লিটার
প্রণালীঃ
- কড়াইতে সুজি লালচে করে ভেজে নিন।
- দুধ অন্য পাত্রে জাল দিয়ে দিন।
- এবার দুধের মধ্যে সুজি দিয়ে দিন।
- ফুটে সেদ্ধ হয়ে গেলে কাজু, কিসমিস, এলাচ গুঁড়ো, ঘি মিশিয়ে দিন।
- আঠামতো হলে নামিয়ে নিন এবং গরম গরম পরিবেশন করুন।
কর্ণফ্লাওয়ার বরফি
উপকরণঃ
- কর্ণফ্লাওয়ার - ১/২ কাপ
- চিনি - ১ কাপ
- ঘি - ১ কাপ
- ছোট এলাচ গুঁড়ো - ১/৪ চা চামচ
- জল - দেড় কাপ
- কাজুবাদাম - ১৫/২০ টা ছোটো টুকরো করা
- কিসমিস - ২০/২৫ টা
প্রণালীঃ
- দেড় কাপ জল দিয়ে কর্ণফ্লাওয়ার গুলে নিন।
- দেড় কাপ জল আর ১ কাপ চিনি দিয়ে ঘন রস তৈরি করে নিন।
- চিনির রসের সঙ্গে গোলা কর্ণফ্লাওয়ার মিশিয়ে কম আঁচে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন।
- ঘন হয়ে এলে ঘি দিন, এলাচ গুঁড়ো দিন।
- কাজু ও কিসমিস দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হবে নাহলে তলায় ধরে যাবে।
- ঘন হয়ে এলে ঘি মাখানো থালায় ঢেলে জমতে দিন।
- ঠান্ডা হয়ে গেলে বরফির মতো কেটে নিন।
দইবড়া
উপকরণঃ
- কলাই ডাল - ২৫০ গ্রাম
- টক দই - ৫০০ গ্রাম
- নুন - আন্দাজমতো
- খোলায় ভাজা জিরের গুঁড়ো - ১ বড় চামচ
- লাল লঙ্কার গুঁড়ো - স্বাদ অনুযায়ী
- তেঁতুলের চাটনির জন্য তেঁতুল, নুন, চিনি - আন্দাজমতো
- বড়া ভাজার জন্য তেল
প্রণালীঃ
- ডাল রাতভর ভিজিয়ে রাখুন।
- পরদিন ভাল করে জল ঝরিয়ে খুব মিহি করে বেটে নিন।
- এক চিমটে নুন দিয়ে বেশ করে ফেটিয়ে নিন।
- এবারে হাতে সামান্য জল মাখিয়ে মাখা ডাল থেকে আন্দাজমতো নিয়ে চ্যাপ্টা করে গড়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন বাদামি করে।
- বড়া সব ভাজা হয়ে গেলে একটা বড় পাত্রে ১ চামচ নুন দিয়ে জল গরম করুন।
- জল ফোটাবার দরকার নেই।
- জল গরম হলেই জল নামিয়ে নিন।
- তাতে ভাজা বড়াগুলো আস্তে আস্তে দিন।
- ১০ মিনিট ভিজতে দিন।
- এবার বড়াগুলো গরম জল থেকে তুলে হাতের তালুতে রেখে সামান্য চাপ দিন।
- দেখবেন অতিরিক্ত জল বেরিয়ে গেছে।
- এবারে বড়া খাওয়ার জন্য তৈরি।
- তেঁতুলের চাটনির জন্য তেঁতুলে ১ কাপ জল দিয়ে তাতে আন্দাজমতো চিনি, লঙ্কার গুঁড়ো, নুন দিয়ে ফোটান।
- ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন।
- দই ভাল করে ফেটিয়ে নিন।
- প্লেটে বড়া রেখে দই, চাটনি ও জিরের গুঁড়ো ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
রসবড়া
উপকরণঃ
- খোসা ছাড়ানো সাদা কলাইয়ের ডাল - ২৫০ গ্রাম
- চিনি - ১ পেয়ালা
- বড়া ভাজবার জন্য তেল
- চিনির রস করার জন্য - দেড় পেয়ালা জল
প্রণালীঃ
- রস তৈরির জন্য চিনিতে দেড় পেয়ালা জল মিশিয়ে ফোটান।
- ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন।
- খুব বেশি ঘন করে ফেলবেন না।
- রাতভর ভেজানো কলাইয়ের ডাল সকালে ভাল করে জল ঝরিয়ে মিহি করে বেটে নিন।
- শিলে বাটলেই ভাল হয়।
- এবারে ডাল বাটাটা ভাল করে ফেটিয়ে নিন।
- ৫-১০ মিনিট ফেটানো ডালটাকে ঢাকা দিয়ে রাখুন।
- আরও হালকা হয়ে ফুলে উঠবে।
- এবারে কড়াইতে বড়া ভাজার জন্য আন্দাজমতো তেল দিন।
- তেল গরম হলে বড়া ভেজে রসে ফেলুন।
দুধ পাক
উপকরণঃ
- দুধ — ২ কাপ
- চিঁড়ে — বড় ১ চামচ
- ছোটো এলাচ — ১/৪ চা চামচ (গুঁড়ো করা)
- বাদাম কুঁচোনো — ৭ অথবা ৮ টি
- চিনি — বড় ২ চামচ
প্রণালীঃ
- দুধ ফুটে উঠলে চিঁড়ে, চিনি দিয়ে ঘন না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
- বাদাম ছোটো এলাচের গুঁড়ো ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
ভাত
মাছ
ডাল
ডিম
মাংস
বিদেশী
স্যুপ
পানীয়
শাক সবজি ফল
টক ঝাল মিষ্টি
বেকিং