ক্ষীরের পুলি

উপকরণঃ 

  1. ক্ষীর — ২০০ গ্রাম, 
  2. নারকোল — ১টা, 
  3. কিসমিস — ১৫ গ্রাম, 
  4. বাদাম  — ২৫ গ্রাম, 
  5. পেস্তা — ২৫ গ্রাম, 
  6. এলাচ গুঁড়ো — ২ চা চামচ, 
  7.  ঘি প্রয়োজনমতো,  
  8. চিনি — ২০০ গ্রাম, 
  9. পুলি করার ছাঁচ।  

প্রণালীঃ

  1. নারকোল কুড়িয়ে মিহি করে বেটে নিন। উনুনে কড়াই চাপিয়ে নারকোল বাটা, ঘি, চিনি,  এলাচগুঁড়ো মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নিন।
  2. কিসমিস, সব কুচিয়ে নিন।
  3. এবার ছাঁচের মধ্যে ঘি মাখিয়ে  নিয়ে ওই ক্ষীর, নারকোল থেকে অল্প নিয়ে ছাঁচে ফেলুন।
  4. কিছুক্ষণ পরে খুব সাবধানে তুলে নিন।
  5. এইভাবে  যে যে কটা হয় সে কটা ক্ষীরের পুলি তৈরি করুন এবং তার ওপর এলাচগুঁড়ো কিসমিস, বাদাম কুচো  ছড়িয়ে দিন এবং পরিবেশন করুন।

আপেল ক্ষীর

উপকরণঃ

  1. আপেল - ৪/৫ টা
  2. দুধ - দেড় লিটার
  3. চিনি - ৫ টেবিল চামচ
  4. জাফরান - ২/৪ পাতা সামান্য গরম দুধে ভেজানো
  5. ছোট এলাচের গুঁড়ো - ১/৪ চা চামচ
  6. গোলাপ জল - ৫/৬ ফোঁটা

প্রণালীঃ

  1. আপেল খোসা ছাড়িয়ে ছোটো ছোটো টুকরো করে নিন।
  2. চিনি দিয়ে মাঝারি আঁচে বসিয়ে আস্তে  আস্তে নাড়তে থাকুন।
  3. চিনি গলে গিয়ে জল শুকিয়ে এলে নামিয়ে রাখুন।
  4. দুধ আলাদা পাত্রে আঁচে বসিয়ে  জাফরান, ছোটো এলাচের গুঁড়ো, গোলাপজল দিয়ে নাড়তে থাকুন।
  5. দুধ ঘন হয়ে প্রায় ঠান্ডা হয়ে এলে আপেল  সিদ্ধটা দিয়ে ভালো করে মিলিয়ে ফ্রিজে রাখুন।
  6. ইচ্ছে হলে ওপরে সামান্য পেস্তা কুচি দিতে পারেন।

পাউরুটির পায়েস

উপকরণঃ

  1. পাউরুটি - ৬/৭ পিস
  2. দুধ - ১ লিটার
  3. চিনি - ৪ বড় চামচ
  4. কিসমিস - ১৫/২০ টা
  5. ২টো ছোট এলাচের গুঁড়ো
  6. তেল - ভাজার জন্য

প্রণালীঃ

  1. ৬/৭ পিস পাউরুটি খুব সরু করে কেটে সাদা তেলে ভেজে তুলে রাখুন।
  2. ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে  বেশ ঘন করে নিন।
  3. তাতে চিনি ও কিসমিস দিন।
  4. তাতে ছোট এলাচের গুঁড়ো দিন।
  5. দুধ ঘন হয়ে এলে  পাউরুটি দিয়ে নামিয়ে রাখুন।
  6. ইচ্ছে হলে দুই এক পাতা জাফরান দিতে পারেন।
  7. এবার আপনার পায়েস  খাওয়ার জন্য তৈরি।

কমলালেবুর পুডিং

উপকরণঃ

  1. পাউরুটির শুধু সাদা অংশটা - ১৫০ গ্রাম
  2. বড় কমলালেবু - ২ টো
  3. মাখন - ৭৫ গ্রাম
  4. ডিমের  কুসুম - ৪ টে
  5. কমলালেবুর মার্মালেড - ৫ টেবিল চামচ
  6. ব্রাউন সুগার - ৭৫ গ্রাম
  7. ময়দা - ৭৫ গ্রাম 
  8. বেকিং পাউডার - ১/৪ চা চামচ
  9. কিসমিস - ৭৫ গ্রাম
  10. মনক্কা - ৭৫ গ্রাম
  11. চেরি - ৭৫  গ্রাম
  12. কমলালেবুর খোসা কোরানো - ১/৪ চা চামচ  

প্রণালীঃ

  1. রুটি ছোটো ছোটো চৌকো টুকরো করে একটা পাত্রে রাখুন।
  2. কমলালেবুর খোসা কুরিয়ে নিন ১/৪ চা  চামচ।
  3. এবারে কমলালেবুর রস করে নিন।
  4. অন্তত ৮ টেবিল চামচ লাগবে, কম হলে জল মিলিয়ে নেবেন। 
  5. কমলার রস এবং মার্মালেড গরম করে রুটির টুকরোতে ঢেলে দিন।
  6. ১০ মিনিট ভিজতে দিন। মাখন,  কমলালেবুর কোরানো খোসা, চিনি- একত্রে ফেটিয়ে নিন ভাল করে।
  7. এবারে ময়দা, ডিম, বেকিং  পাউডার, কিসমিস, মনক্কা, চেরি সব একে একে চিনি মাখনের মিশ্রণে মেশান।
  8. সবশেষে রুটি এবং  মার্মালেডের মিশ্রণে মিশিয়ে নিন।
  9. এবার বেকিং টিন তৈলাক্ত করে নিয়ে মিশ্রনটি তাতে ঢালুন।
  10. এবারে  দু ঘন্টা ধরে ভাপে রাখুন। খুব বেশি আগুনের তাপে রাখবেন না। ঢিমে আঁচে রাখুন।

ভ্যানিলা আইসক্রিম

উপকরণঃ

  1. মিল্ক মেড — ১/৪ টিন
  2. দুধ — ৪ কাপ  
  3. কাস্টার্ড পাউডার — ২ টেবল চামচ
  4. ভানিলা এসেন্স — ১/৪ কাপ   

প্রণালীঃ

  1. ভ্যানিলা এসেন্স ১/৪ চা চামচ দুধ দিয়ে গুলে নিন।
  2. দুধ এবং টিনের দুধ ভাল করে মিশিয়ে  নিন।
  3. কর্নফ্লাওয়ার, যেটা দুধ দিয়ে গুলে রেখেছেন সেটা দিয়ে ঘন না হওয়া পর্যন্ত অনবরত নেড়ে রান্না  করুন।
  4. নামিয়ে ঠান্ডা হলে ভ্যানিলা মেশান।
  5. ফ্রিজে জমতে দিন।
  6. আধজমা হয়ে এলে ফ্রিজ থেকে বার করে  ফেটিয়ে আবার জমতে দিন।
  7. তিন-চারবার এভাবে ফেটাতে পারলে ভাল হয়। 

আনন্দ দধি

উপকরণঃ

  1. দই — ২৫০ গ্রাম
  2. টিনের আনারস — ২টি গোল টুকরো
  3. কমলালেবু — ২টি
  4. ভাজা জিরে  গুঁড়ো — ১/২ চা চামচ
  5. লাল লঙ্কা গুঁড়ো — ১/৪ চা চামচ
  6. গুঁড়ো চিনি — ১ বড় চামচ 
  7. বিট নুন — ১/৪ চা চামচ    

প্রণালীঃ

  1. দইতে চিনি ভাল করে মিশাতে হবে।
  2. আনারস ছোট টুকরো এবং কমলালেবু পরিষ্কার করে নিয়ে  দইতে দিন।
  3. এবার পরিবেশনের পাত্রে ঢেলে ওপরে জিরে, লঙ্কার গুঁড়ো, বিট নুন দিন।
  4. পরিবেশনের  আগে আনারস ও কমলালেবুর টুকরো সাজিয়ে দেবেন। 

রাঙা আলুর ক্ষীর

উপকরণঃ

  1. রাঙা আলু — ১২৫ গ্রাম
  2. দুধ — ১লিটার
  3. কিশমিশ — ২০-২৫টা
  4. চিনি — ৪ টেবিল চামচ
  5. ছোট এলাচ গুঁড়ো — ১/৪ চা চামচ     

প্রণালীঃ

  1. রাঙা আলু খোসা ছাড়িয়ে গ্রেট করে নিন।
  2. দুধ খানিকটা ঘন হলে গ্রেট করা রাঙা আলু  দুধে দিন।
  3. কিশমিশ, চিনি, এলাচ গুঁড়ো দিন।
  4. ঘন হয়ে ক্ষীরের মত হলে নামান।

নতুন গুড় দিয়ে সুজির পায়েস

উপকরণঃ

  1. নতুন গুড় — ২০০ গ্রাম, 
  2. সুজি — ১৫০ গ্রাম, 
  3. এলাচগুঁড়ো — ১ চা চামচ,  
  4. ঘি — ৫০ গ্রাম, 
  5. কিসমিস — ৫০ গ্রাম, 
  6. কাজুবাদাম — ২৫ গ্রাম, 
  7. দুধ — ২ লিটার  

প্রণালীঃ

  1. কড়াইতে সুজি লালচে করে ভেজে নিন।
  2. দুধ অন্য পাত্রে জাল দিয়ে দিন।
  3. এবার দুধের মধ্যে সুজি  দিয়ে দিন।
  4. ফুটে সেদ্ধ হয়ে গেলে কাজু, কিসমিস, এলাচ গুঁড়ো, ঘি মিশিয়ে দিন।
  5. আঠামতো হলে  নামিয়ে নিন এবং গরম গরম পরিবেশন করুন। 

কর্ণফ্লাওয়ার বরফি

উপকরণঃ

  1. কর্ণফ্লাওয়ার - ১/২ কাপ
  2. চিনি - ১ কাপ
  3. ঘি - ১ কাপ
  4. ছোট এলাচ গুঁড়ো - ১/৪ চা  চামচ
  5. জল - দেড় কাপ
  6. কাজুবাদাম - ১৫/২০ টা ছোটো টুকরো করা
  7. কিসমিস - ২০/২৫ টা  

প্রণালীঃ

  1. দেড় কাপ জল দিয়ে কর্ণফ্লাওয়ার গুলে নিন।
  2. দেড় কাপ জল আর ১ কাপ চিনি দিয়ে ঘন রস  তৈরি করে নিন।
  3. চিনির রসের সঙ্গে গোলা কর্ণফ্লাওয়ার মিশিয়ে কম আঁচে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন।
  4. ঘন  হয়ে এলে ঘি দিন, এলাচ গুঁড়ো দিন।
  5. কাজু ও কিসমিস দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হবে নাহলে তলায় ধরে  যাবে।
  6. ঘন হয়ে এলে ঘি মাখানো থালায় ঢেলে জমতে দিন।
  7. ঠান্ডা হয়ে গেলে বরফির মতো কেটে নিন।

দইবড়া

উপকরণঃ

  1. কলাই ডাল - ২৫০ গ্রাম
  2. টক দই - ৫০০ গ্রাম
  3. নুন - আন্দাজমতো
  4. খোলায় ভাজা জিরের  গুঁড়ো - ১ বড় চামচ
  5. লাল লঙ্কার গুঁড়ো - স্বাদ অনুযায়ী
  6. তেঁতুলের চাটনির জন্য তেঁতুল, নুন, চিনি  - আন্দাজমতো
  7. বড়া ভাজার জন্য তেল

প্রণালীঃ

  1. ডাল রাতভর ভিজিয়ে রাখুন।
  2. পরদিন ভাল করে জল ঝরিয়ে খুব মিহি করে বেটে নিন।
  3. এক  চিমটে নুন দিয়ে বেশ করে ফেটিয়ে নিন।
  4. এবারে হাতে সামান্য জল মাখিয়ে মাখা ডাল থেকে আন্দাজমতো  নিয়ে চ্যাপ্টা করে গড়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন বাদামি করে।
  5. বড়া সব ভাজা হয়ে গেলে একটা বড় পাত্রে ১  চামচ নুন দিয়ে জল গরম করুন।
  6. জল ফোটাবার দরকার নেই।
  7. জল গরম হলেই জল নামিয়ে নিন।
  8. তাতে  ভাজা বড়াগুলো আস্তে আস্তে দিন।
  9. ১০ মিনিট ভিজতে দিন।
  10. এবার বড়াগুলো গরম জল থেকে তুলে হাতের  তালুতে রেখে সামান্য চাপ দিন।
  11. দেখবেন অতিরিক্ত জল বেরিয়ে গেছে।
  12. এবারে বড়া খাওয়ার জন্য তৈরি।   
  13. তেঁতুলের চাটনির জন্য তেঁতুলে ১ কাপ জল দিয়ে তাতে আন্দাজমতো চিনি, লঙ্কার গুঁড়ো, নুন দিয়ে ফোটান। 
  14. ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন।
  15. দই ভাল করে ফেটিয়ে নিন।
  16. প্লেটে বড়া রেখে দই, চাটনি ও  জিরের গুঁড়ো ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

রসবড়া

উপকরণঃ

  1. খোসা ছাড়ানো সাদা কলাইয়ের ডাল - ২৫০ গ্রাম
  2. চিনি - ১ পেয়ালা
  3. বড়া ভাজবার জন্য তেল 
  4. চিনির রস করার জন্য - দেড় পেয়ালা জল

প্রণালীঃ

  1. রস তৈরির জন্য চিনিতে দেড় পেয়ালা জল মিশিয়ে ফোটান।
  2. ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন।
  3. খুব  বেশি ঘন করে ফেলবেন না।
  4. রাতভর ভেজানো কলাইয়ের ডাল সকালে ভাল করে জল ঝরিয়ে মিহি করে  বেটে নিন।
  5. শিলে বাটলেই ভাল হয়।
  6. এবারে ডাল বাটাটা ভাল করে ফেটিয়ে নিন।
  7. ৫-১০ মিনিট ফেটানো  ডালটাকে ঢাকা দিয়ে রাখুন।
  8. আরও হালকা হয়ে ফুলে উঠবে।
  9. এবারে কড়াইতে বড়া ভাজার জন্য আন্দাজমতো  তেল দিন।
  10. তেল গরম হলে বড়া ভেজে রসে ফেলুন। 

দুধ পাক

উপকরণঃ

  1. দুধ — ২ কাপ
  2. চিঁড়ে — বড় ১ চামচ
  3. ছোটো এলাচ — ১/৪ চা চামচ (গুঁড়ো করা) 
  4. বাদাম কুঁচোনো — ৭ অথবা ৮ টি
  5. চিনি — বড় ২ চামচ   

প্রণালীঃ

  1. দুধ ফুটে উঠলে চিঁড়ে, চিনি দিয়ে ঘন না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
  2. বাদাম ছোটো এলাচের  গুঁড়ো ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।